রাঙ্গুনিয়া(চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: চট্টগ্রাম দক্ষিন বন বিভাগের রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জের আওতাধীন পোমরা চেক ষ্টেশনে দায়িত্ব অবহেলা ও কাঠ পাচারের সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে বন প্রহরী নাসিরুল আলম চৌধুরী, মো. আব্দুল ছালাম, মো. নুরুল হক কে সাসপেন্ড করা হয়েছে। অভিনব পন্থায় দীর্ঘদিন ধরে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে মূল্যবান সেগুন সহ বিবিধ কাঠ পাচার হয়ে আসছে। অবৈধ কাঠ পাচারের সাথে বন বিভাগের চেক ষ্টেশনের কতিপয় স্টাফরা জড়িত থাকার অভিযোগ উঠে।
কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে অভিনব পন্থায় কাঠ পাচারের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৬ আগস্ট দিবাগত রাতে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) নির্দেশে চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের শহর রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক, রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা পহলাদ চন্দ্র রায়, কালুরঘাট রেঞ্জ কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন চৌধুরীর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে একটি কাভার্ড ভ্যানবোঝাই ৫শ ঘনফুট অবৈধ সেগুন কাঠ আটক করে। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫ লক্ষ টাকা।
সংরক্ষিত বনাঞ্চল থেকে আহরিত মূল্যবান কাঠ চন্দ্রঘোনা কর্ণফুলী নদীপথে এনে কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়ক হয়ে চট্টগ্রামমুখী একটি কাঠ বোঝাই কাভার্ড ভ্যানের মাধ্যমে কাঠ পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে বনবিভাগের উর্দ্ধতন মহল থেকে আগেভাগে রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তাকে অবহিত করে এবং ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হয়। রাঙ্গুনিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা পহলাদ চন্দ্র রায় কাপ্তাই-চট্টগ্রাম সড়কে কঠোর অবস্থান নিলেও কিন্তু মাঠ পর্যায়ের বনপ্রহরীরা কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহন করেনি। যার কারনে কাঠবোঝাই কাভার্ড ভ্যান পোমরা বন চেক ষ্টেশন অতিক্রম করে।
রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশ না মানার বিষয়টি বনবিভাগের উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে তিন বনপ্রহরীকে সাসপেন্ড করা হয়। পোমরা চেক ষ্টেশন কর্মকর্তা মো. ইউনুছ বলেন, কাঠ পাচারের ঘটনায় তিন বন প্রহরীকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। দোষী প্রমাণিত হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।


No comments:
Post a Comment